তিনি আন্তরিকতার সহিত শহিদ শাজাহান এর মা বিবি আয়শা সহ পরিবারের সকলের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের ভালোমন্দ সবসময় ডিসিকে জানাতে বলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহিদ শাজাহানের স্ত্রী ও শিশুটির মা ফাতেহা(২০) বলেন, “আমার স্বামী শাজাহান দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে নিজের অনাগত সন্তানের মুখ না দেখেই দুনিয়া থেকে চলে গেছে। তাই আমার ছেলের ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। কারন বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আন্দোল তথা গণঅভ্যূত্থান-২০২৪ চলাকালে গত ১৬ জুলাই ঢাকার সাইন্সল্যাবের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আমার স্বামী শাজাহান”। উল্লেখ্য ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার ধলিনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমান আলীর ছেলে শাজাহান ছিলেন ঢাকার বলাকা টাওয়ারের সামনের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মারা যাওয়ার সময় তার স্ত্রী ফাতেহা প্রায় ৪ মাসের অন্তঃসত্বা ছিলেন এবং মেডিক্যাল রিপোর্টে ছেলে সন্তান আসার খবর শুনে অনাগত ছেলের নাম ওমর ফারুক রাখার জন্য তার স্ত্রীকে বলে গিয়েছেন বলে জানান তার স্ত্রী ফাতেহা। ভোলার সমন্বয়ক আরিফ চৌধুরী এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শিশুটিকে ডিসি পরিদর্শন করার সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত এনডিসি যায়েদ হোছাইন এবং সমন্বয়ক আব্দুর রাহিমসহ বেশ কয়েকজন সমন্বয়ক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলোন।